ঢাকার এক পাম্প মালিক বললেন, “স্যার, মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে।” প্রতি ডেলিভারিতে 200 থেকে 300 লিটার কম পান। ড্রাইভার একই কথা বলে, “স্যার, পুরো 10 হাজারই দিয়েছি। ট্যাঙ্কে একটু তেল লেগে থাকে।” মাসে 12টা ডেলিভারি, প্রতিটায় 250 লিটার করে কম, মানে মাসে 3,000 লিটার, প্রায় ৳2.7 লাখ টাকা চলে যাচ্ছে।
পাঁচটা চেনা অজুহাত
- “ট্যাঙ্কে তেল লেগে আছে”: ড্রাইভার বলে আগের তেল ট্রাকের ট্যাঙ্কে লেগে থাকে, অথচ 200 থেকে 300 লিটার ইচ্ছা করেই ভেতরে রেখে দেওয়া হতে পারে
- “মাপে ভুল”: ডিপ স্টিক ঠিক নয়, “আমাদের ক্যালিব্রেটেড মিটারে ঠিকই আছে”। অথচ ট্রাকের মিটারেই কারসাজি থাকতে পারে
- “তাপমাত্রা”: লোড করার সময় ঠান্ডা ছিল, এখন গরমে ফুলে গেছে। অনেক সময় এটা শুধু হিসাবের মারপ্যাঁচ
- “রাতে ডেলিভারি”: অন্ধকারে ঠিকমতো মাপা কঠিন। এই সুযোগটাই কাজে লাগানো হয়
- “এক ট্রিপে কয়েকটা পাম্প”: তিন পাম্পে ডেলিভারি, হিসাব জটিল। এই গোলমালে সবচেয়ে বেশি কাটা হয়
TruckEye দিয়ে প্রতিটি ডেলিভারি যাচাই করুন
- লাইভ ট্র্যাকিং: GPS লোকেশন, রুট যাচাই, ট্রাক কতক্ষণ থেমেছে, কত গতিতে চলেছে
- তেলের প্রবাহ মনিটরিং: কত দ্রুত তেল বেরোচ্ছে, মোট আয়তন কত, তাপমাত্রা ধরে হিসাব, আর ডেলিভারির সময়
- অটোমেটিক নথি: ডিজিটাল ডেলিভারি রসিদ, ছবির প্রমাণ আর সময়ের ছাপ। ড্রাইভারকে জবাবদিহি করতেই হবে
যে ট্যাঙ্কে তেল নামছে সেখানে ATG থাকলে আরেকটা যাচাই হয়, কারণ ওটা দেখায় আসলে কত তেল এল। দুটো একসাথে থাকলে “10 হাজার লিটার দিয়েছি” কথাটা আর মেনে নিতে হয় না, নিজেই যাচাই করে নিতে পারেন।
আপনার স্টেশনে এটা কীভাবে কাজ করবে, দেখতে চান?
FuelMatix টিমের সাথে কথা বলুন। আপনার পাম্প বা ডিপোতে বিনামূল্যে সাইট সার্ভে পাবেন।
আমাদের টিমের সাথে কথা বলুন