গাজীপুরের এক পাম্পে গিয়েছিলাম। মালিক বললেন, “অদ্ভুত ব্যাপার। সকাল 8টায় ট্যাঙ্কে 1,000 লিটার, দুপুর 2টায় মেপে দেখি 1,030 লিটার। কোনো ডেলিভারি হয়নি।” আসলে তেল বাড়েনি। গরমে ফুলে গেছে। সন্ধ্যায় ঠান্ডা হলে আবার 1,000 লিটারই হয়ে যাবে।
এই তাপমাত্রার ধাঁধার কারণে প্রতি মাসে হিসাবে লাখ টাকার ভুল হতে পারে।
আমাদের দেশে তাপমাত্রার ফারাক এত বেশি কেন
ঢাকার একটা সাধারণ দিন এরকম:
- ভোর 6টা: 22°C
- দুপুর 1টা: 38°C
- সন্ধ্যা 7টা: 30°C
- রাত 10টা: 25°C
মানে 16°C পর্যন্ত ফারাক। ডিজেল আর পেট্রল প্রতি ডিগ্রিতে প্রায় 0.0008 হারে ফোলে। তার মানে 1°C বাড়লে 1,000 লিটারে 0.8 লিটার বাড়ে। 16°C ফারাকে 1,000 লিটার মাপা হয় 1,012.8 লিটার। এই 12.8 লিটার আসলে নেই, ভুতুড়ে তেল।
তাপমাত্রা ধরে হিসাব মানে কী
তেলের আয়তন মাপার আন্তর্জাতিক মান তাপমাত্রা 15°C। তাপমাত্রা ধরে হিসাব করলে প্রতিটি মাপকে 15°C-এ কত হতো সেটাতে ঠিক করে নেওয়া হয়। গরমে অণুগুলো বেশি ছোটাছুটি করে, তাই একই তেল বেশি জায়গা নেয়। হিসাব ঠিক করে নিলে সকাল 8টা, দুপুর 2টা বা রাত 8টা, সব সময়ই একই 1,000 লিটার 1,000 লিটারই দেখাবে।
না করলে কী কী গোলমাল হয়
- সকালের ডেলিভারি কম মনে হয়, কারণ তখন তেল ঠান্ডা
- দুপুরের রিডিংয়ে বাড়তি তেল দেখা যায়, যা আসলে নেই, কারণ তেল ফুলে গেছে
- সন্ধ্যার স্টক খাতার সাথে মেলে না
- মাসের শেষে হিসাব মেলাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাগে, তবুও পুরো মেলে না
হাতে হিসাব বনাম ডিজিটাল
- হাতে: তাপমাত্রা দেখতে সময় লাগে, ফর্মুলা কঠিন, হিসাবে ভুল হয়, আর 24 ঘণ্টা তো কেউ করতে পারে না
- ডিজিটাল: তাপমাত্রা সারাক্ষণ মাপা হয়, প্রতিটি মাপ নিজে নিজে ঠিক হয়ে যায়, সব রিডিং 15°C মানে আসে, আর তাপমাত্রার ইতিহাসও দেখা যায়
FuelMatix কীভাবে করে
- ট্যাঙ্কের ওপরে, মাঝে আর নিচে নিখুঁত তাপমাত্রা সেন্সর
- বাংলাদেশের গরমে টিকবে এমন ইনস্টলেশন
- প্রতিটি মাপ নিজে নিজে ঠিক হয়, তাই স্টক আর লাভের হিসাব আসল তেলের সাথে মেলে
- অস্বাভাবিক তাপমাত্রা হলে অ্যালার্ট
আপনার স্টেশনে এটা কীভাবে কাজ করবে, দেখতে চান?
FuelMatix টিমের সাথে কথা বলুন। আপনার পাম্প বা ডিপোতে বিনামূল্যে সাইট সার্ভে পাবেন।
আমাদের টিমের সাথে কথা বলুন